তথ্য মন্ত্রনালয় কর্তৃক নিবন্ধনকৃত, যার রেজি নং-৩৬

সোমবার, ০৪ জুলাই ২০২২, ০৭:০৩ অপরাহ্ন
সদ্য সংবাদ :
ঈদযাত্রায় মানতে হবে ১২ নির্দেশনা নন্দীগ্রামে চোলাইমদ বিক্রয় ও সেবনের অপরাধে গ্রেপ্তার ২ একদিনে ১২ মৃত্যু, শনাক্ত ২ হাজারের বেশি পাঁচবিবিতে সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার কায়সারের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন সম্পন্ন মৌলভীবাজারে পানিবন্দি মানুষকে ঈদ উপহার একাটুনা ইউনিয়ন উন্নয়নে আমরা সংগঠনের পক্ষ থেকে ত্রাণ বিতরণ ফুলবাড়ী সীমান্তে বিজিবি’র অভিযানে মাদকসহ তিন চোরাকারবারী আটক ঘোড়াঘাট উপজেলায় ৩ ছিনতাইকারিকে পুলিশে সোপর্দ ২টি সিএনজি আটক নিরাপদ ও টেকসই পোল্ট্রি উৎপাদনে সবধরনের সহায়তা দেবে সরকার -মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী আদমদীঘিতে ৪ দিন ব্যাপী মাছ চাষ ও খাদ্য সক্ষমতা বৃদ্ধি প্রশিক্ষনের উদ্ধোধন

সব দলের অংশগ্রহণে সুষ্ঠু নির্বাচন হবে

  • প্রকাশ বৃহস্পতিবার, ২৩ জুন, ২০২২, ৪.৩৪ এএম
  • ১৮ বার ভিউ হয়েছে

মুক্তিনিউজ২৪.কম ডেস্ক: আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সব রাজনৈতিক দলের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে অবাধ ও সুষ্ঠুভাবে অনুষ্ঠিত হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বুধবার জাতীয় সংসদে এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ আশার কথা জানান। তিনি বলেন, দায়িত্ব পালনে নির্বাচন কমিশন স্বাধীন থাকবে। ইসির দায়িত্ব পালনে সহায়তা করা সরকার ও নির্বাহী কর্তৃপক্ষের আবশ্যিক দায়িত্ব। সব রাজনৈতিক দলের নির্বাচনে অংশগ্রহণসহ দলীয় কার্যক্রম নির্বিঘ্ন করার পরিবেশ নিশ্চিত করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে অধিকতর গ্রহণযোগ্য এবং অংশগ্রহণমূলক করার লক্ষ্যে সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে। নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব পালনে সহায়তা করা সরকার ও নির্বাহী কর্তৃপক্ষের আবশ্যিক দায়িত্ব। স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে বৈঠকের শুরুতে প্রশ্নোত্তর টেবিলে উপস্থাপন করা হয়। এসময় জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য সৈয়দ আবু হোসেন প্রধানমন্ত্রীর কাছে প্রশ্ন রেখেছিলেন, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে অধিকতর গ্রহণযোগ্য এবং অংশগ্রহণমূলক করিবার লক্ষ্যে সব নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার জন্য জাতির পিতার কন্যা হিসেবে আপনার কোনো বিশেষ পরিকল্পনা আছে কি না; থাকলে, তা কী?’

প্রশ্নের জবাবে বিভিন্ন পদক্ষেপের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচন কমিশন স্বাধীন। প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনার বাংলাদেশের সংবিধান এবং আইন অনুযায়ী স্বাধীনভাবে তাদের কাজ সম্পাদন করে থাকেন। নির্বাচন কমিশনের চাহিদা মোতাবেক সরকার সহায়তা করে থাকে। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে অধিকতর গ্রহণযোগ্য ও অংশগ্রহণমূলক করার লক্ষ্যে সরকারের নেয়া ১১টি উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন ও জাতীয় নির্বাচন গ্রহণযোগ্য এবং নিরপেক্ষ করার লক্ষ্যে সংবিধানের বিধান অনুসারে নির্বাচন কমিশন গঠন আইন করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ আইন সংসদে উত্থাপিত হলে বিরোধী দলের প্রস্তাবিত ২২টি সংশোধনী গ্রহণ করা হয়, যা নির্বাচনকে গ্রহণযোগ্য, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করার প্রথম পদক্ষেপ। শেখ হাসিনা বলেন, নির্বাচন সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য করার লক্ষ্যে ছবিসহ ভোটার তালিকা প্রণয়ন করা হয়েছে। এছাড়া নির্বাচন প্রক্রিয়ায় আধুনিক পদ্ধতির ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) চালু করা হয়েছে। সব রাজনৈতিক দলের নির্বাচনে অংশগ্রহণসহ দলীয় কার্যক্রম নির্বিঘ্ন করার পরিবেশ নিশ্চিত করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১১৮(৪) অনুযায়ী নির্বাচন কমিশন দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে স্বাধীন এবং ১২৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব পালনে সহায়তা করা সব নির্বাহী কর্তৃপক্ষের কর্তব্য। গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের ধারা ৪ ও ৫ অনুযায়ী নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব পালনে সহায়তা করা সব নির্বাহী কর্তৃপক্ষের কর্তব্য। সে লক্ষ্যে নির্বাচনী কাজে নির্বাহী কর্তৃপক্ষ মারফত নিয়মিত সহায়তার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় সংখ্যক নিয়োগ দেয়া হয়ে থাকে।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় থাকাকালে প্রায় ১ কোটি ২৩ লাখ ভুয়া ভোটার নিবন্ধন করেছিল। ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বরের নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে সরকার গঠন করে। এরপর অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে আওয়ামী লীগ সরকার ভোটার তালিকা আইন এবং জাতীয় সংসদের নির্বাচনী এলাকার সীমানা নির্ধারণ আইন প্রণয়ন করে। ভোটার তালিকা আইন প্রণয়নের ফলে নির্বাচন কমিশন বিএনপির আমলে নিবন্ধিত সব ভুয়া ভোটার বাদ দিয়ে প্রকৃত অর্থে যারা ভোটার তাদের নিবন্ধন করেছে এবং সময়ে সময়ে, নিবন্ধন তালিকা হালনাগাদ করা হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোকে নিবন্ধন দেয়া নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব। নিবন্ধিত সব দলের অংশগ্রহণে আগামী জাতীয় নির্বাচন করার লক্ষ্যে নির্বাচন কমিশন সব অংশীজনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ও যোগাযোগ রক্ষা করে। নির্বাচনী তফসিল, নির্বাচনী প্রক্রিয়া ও নির্বাচনের সামগ্রিক আয়োজনের ব্যাপারে সব অংশীজনের সঙ্গে আলাপ-আলোচনার উদ্যোগ নেয়া হয়। ভোটার নিবন্ধন, ভোটার তালিকা তৈরি ও হালনাগাদ করা এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট বিষয়েও নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী সব রাজনৈতিক দলের সঙ্গে নির্বাচন কমিশন আলাপ–আলোচনা করে থাকে।

শেখ হাসিনা বলেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচন গ্রহণযোগ্য ও নিরপেক্ষ করার জন্য প্রার্থিতা প্রত্যাহারের পর থেকে আচরণবিধি প্রতিপালন এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষার্থে পর্যাপ্তসংখ্যক এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট এবং জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ করা হয়। এছাড়া স্থানীয় প্রশাসন ও রিটার্নিং অফিসারের চাহিদার পরিপ্রেক্ষিতে অতিরিক্ত পুলিশ, র‍্যাব, বিজিবি ও কোস্টগার্ড নিয়োগ করা হয়।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© All rights reserved © 2022 Muktinews24.com © এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি। সকল স্বত্ব www.muktinews24.com কর্তৃক সংরক্ষিত.
Technical Support Moinul Islam