তথ্য মন্ত্রনালয় কর্তৃক নিবন্ধনকৃত, যার রেজি নং-৩৬

শুক্রবার, ১৯ অগাস্ট ২০২২, ১০:১৩ পূর্বাহ্ন
muktinews24
সদ্য সংবাদ :
পলাশবাড়ীতে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে এক ব্যক্তির মৃত্যু রংপুরের কাউনিয়ায় চাঞ্চল্যকর স্কুলছাত্রী সানজিদা ইভা হত্যার ঘটনায় এক দিনের মধ্যে রহস্য উদঘাটন  ঝড়ো আবহাওয়া ও মুষলধারে বৃষ্টিকে উপেক্ষা করে কয়েক হাজার নেতা-কর্মীদের উপস্থিতিতে পিরোজপুরে শোক দিবস উপলক্ষে জেলা আওয়ামীলীগের সভা কুড়িগ্রাম সদর থানায় লাশঘরের উদ্বোধন ট্রাকচাপায় ভ্যানচালকের মৃত্যু শেখ হাসিনা মানুষের কষ্ট বোঝেন : ওবায়দুল কাদের ৪ মাসে এক কোটি ট্রেনের টিকিট বিক্রি, দাবি সহজের শ্রীমঙ্গলে মুরগি ও ডিমের ৪ প্রতিষ্টানকে জরিমানা ঘোড়াঘাটে নদীর পানি থেকে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তির লাশ উদ্ধার কুড়িগ্রামে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে প্রাণ গেলো এসএসসি পরিক্ষার্থীর

বিএনপির শাসনামলে দিনে ১৩-১৪ ঘণ্টা লোডশেডিং চলত : কাদের

  • প্রকাশ মঙ্গলবার, ২ আগস্ট, ২০২২, ৯.৫৫ এএম
  • ২০ বার ভিউ হয়েছে

মুক্তিনিউজ২৪.কম ডেস্ক: আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি নিয়ে বিএনপি যে অব্যাহত অপপ্রচার আর মিথ্যাচার করছে, তা নিজেদের ব্যর্থতা ঢাকার অপপ্রয়াস ছাড়া আর কিছুই নয়। তিনি বলেন, বিএনপি নেতারা সহজেই তাদের অতীত ভুলে যেতে চাইলেও জনগণ ঠিকই তা মনে রেখেছে। তাদের শাসনামলে দেশে দিনে ১৩-১৪ ঘণ্টা লোডশেডিং চলতো। তাদের সময়ে দেশ ছিল অন্ধকারে নিমজ্জিত। আজ মঙ্গলবার গণমাধ্যমে দেয়া এক বিবৃতিতে সেতুমন্ত্রী এ কথা বলেন। আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘ক্ষমতায় আসার জন্য তারা দেশের মূল্যবান খনিজ সম্পদ বিদেশি প্রভুদের হাতে তুলে দিয়েছিল। বিদ্যুৎ সরবরাহের নামে শুধুমাত্র খাম্বা স্থাপন করে জাতির সঙ্গে প্রতারণা করেছিল। বিকল্প ক্ষমতা কেন্দ্র হাওয়া ভবন আর খোয়াব ভবন আলোকিত রাখতে গিয়ে সারা দেশকে অন্ধকারে রেখেছিলো বিএনপি।’ তিনি বলেন, ‘সেই অন্ধকারময় সময় পিছনে ফেলে শেখ হাসিনা দেশবাসীকে আলোকিত বাংলাদেশ উপহার দিয়েছেন। বিদ্যুতে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের পাশাপাশি আর্থ-সামাজিক সকল ক্ষেত্রে অভূতপূর্ব সাফল্যের স্মারক রেখেছেন। যা বিশ^ সভায় প্রশংসিত হয়েছে।’

সড়ক পরিবহনমন্ত্রী বলেন, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সেক্টরে শেখ হাসিনা সরকার বৈপ্লবিক সাফল্য দেখিয়েছে। ২০০৮ সালের ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে ভূমিধ্বস বিজয়ের মধ্য দিয়ে যখন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ক্ষমতাসীন হয় তখন দেশে মাথাপিছু বিদ্যুৎ উৎপাদন ছিল ২২০ কিলোওয়াট, যা বর্তমানে দাঁড়িয়েছে ৫৬০ কিলোওয়াটে। ২০০৯ সালের শুরুতে দেশে বিদ্যুৎ সুবিধার আওতাভুক্ত ছিল মোট জনসংখ্যার মাত্র ৪৭ শতাংশ। বঙ্গবন্ধ ুকন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ ধারাবাহিকভাবে ক্ষমতায় থাকার কারণে দেশের শতভাগ মানুষ বিদ্যুৎ সুবিধার আওতায় এসেছে। তিনি বলেন, ২০০৯ সালের শুরুতে বিদ্যুৎ উৎপাদন ছিলো ৩ হাজার ২৬৭ মেগাওয়াট। বর্তমানে বিদ্যুৎ সরবরাহের ক্ষমতা ২৫ হাজার ৫৬৬ মেগাওয়াটে উন্নীত হয়েছে। শুধু তাই নয়, ২০০৯ সালের শুরুতে দেশে বিদ্যুৎ গ্রাহক সংখ্যা ছিলো ১ কোটি ৮ লক্ষ। ২০২২ এর এপ্রিলে এসে গ্রাহক সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪ কোটি ২৭ লক্ষে। সরকারের এ সাফল্যে বিএনপি ঈর্ষান্বিত হয়ে বরাবরের ন্যায় নির্লজ্জ মিথ্যাচার ও অপপ্রচারে লিপ্ত রয়েছে।

ওবায়দুল কাদের বলেন, বিদ্যুৎ খাতের দুর্নীতি নিয়ে যারা কথা বলেন, প্রকৃতপক্ষে তারাই দুর্নীতির পৃষ্ঠপোষক। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সরকারের সুষ্ঠু নীতি ও সুদক্ষ ব্যবস্থাপনা না থাকলে বিদ্যুৎ উৎপাদন ২৫ হাজার ৫৬৬ মেগাওয়াটে উন্নীত করা সম্ভব হতো না। শিল্পায়নের বিকাশ ঘটতো না। অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি এবং প্রবৃদ্ধি ঘটতো না। বরং শেখ হাসিনা সরকার বিএনপির বেসামাল দুর্নীতি ও লুটপাটের পথ বন্ধ করে দেশের জন্য এনার্জি সিকিউরিটি নিশ্চিত করতে সক্ষম হয়েছেন। দেশের প্রতিটি ঘরে ঘরে পৌঁছে দিয়েছেন বিদ্যুতের আলো। ওবায়দুল কাদের বলেন, করোনা মহামারি পরবর্তী অর্থনীতির পুনরুদ্ধারকালে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ থমকে দিয়েছে সমগ্র বিশ্বকে। বিশ্ববাজারে জ্বালানির মূল্য অতিমাত্রায় বৃদ্ধি পাওয়ায় পৃথিবীর উন্নত দেশগুলোও হিমশিম খাচ্ছে। ইতোমধ্যে অনেক দেশ বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ী নীতি গ্রহণ করেছে।

তিনি বলেন, ভবিষ্যত অনিশ্চয়তার আশঙ্কা কাটাতে আগাম ব্যবস্থা হিসেবে বাংলাদেশকেও কিছু সতর্কতামূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হয়েছে। এর অংশ হিসেবে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে এবং বিদ্যুৎ সরবরাহে রেশনিং করা হচ্ছে। যা একটি সাময়িক পদক্ষেপ। ওবায়দুল কাদের বলেন, একটি মতলবি মহল ভারত থেকে বিদ্যুৎ আমদানির ভুয়া জিগির তুলছেন। প্রকৃতপক্ষে, ভারত থেকে দেশে আমদানিকৃত বিদ্যুতের পরিমাণ মোটের উপর মাত্র ১০ শতাংশ। আবার কেউ কেউ বলছেন, দেশে নাকি ১৩ দিনের অকটেন এবং ১৭ দিনের পেট্রোলের রিজার্ভ আছে। অথচ প্রকৃত সত্য হলো, সামান্য পরিমাণে বুস্টার ছাড়া দেশে অকটেন ও পেট্রোল আমদানি করা হয় না। তিনি বলেন, প্রাকৃতিক গ্যাস ক্ষেত্রের কনডেনসেট থেকে রিফাইন করে পেট্রোল ও অকটেন তৈরি করা হয়। আবার কেউ কেউ বলছেন, দেশে জ¦ালানি তেল মজুদ আছে ৩৭ দিনের। তারা এ কথা বলছেন জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টির লক্ষে। প্রকৃত সত্য হচ্ছে, দেশে তেল মজুদ রয়েছে ৪০ দিনের। এ ছাড়া তেলবাহী জাহাজ বন্দরে খালাসের অপেক্ষায় আছে।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© All rights reserved © 2022 Muktinews24.com © এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি। সকল স্বত্ব www.muktinews24.com কর্তৃক সংরক্ষিত.
Technical Support Moinul Islam