তথ্য মন্ত্রনালয় কর্তৃক নিবন্ধনকৃত, যার রেজি নং-৩৬

শনিবার, ০১ অক্টোবর ২০২২, ০২:৪৫ অপরাহ্ন

আদমদীঘিতে সড়কে জলাবদ্ধতা যানবাহন ও পথচারীদের পোহাতে হচ্ছে চরম দুর্ভোগ।

  • প্রকাশ রবিবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২২, ৭.৪৬ এএম
  • ২৭ বার ভিউ হয়েছে

এএফএম মমতাজুর রহমান আদমদিঘী বগুড়া প্রতিনিধি ঃ বগুড়ার আদমদীঘিতে পাকা সড়কে জলাবদ্ধতার কারণে যানবাহন ও পথচারীদের পোহাতে হচ্ছে চরম দুর্ভোগ। উপজেলার জড়গাড়ী,কদমা, করজবাড়ি, গণিপুরসহ বেশ কয়েকটি গ্রামের যানবাহন ও পথচারীদের পোহাতে হচ্ছে এ দুর্ভোগ। ভুক্তভোগীরা দ্রুত এ সমস্যার সমাধান চেয়ে জনপ্রতিনিধিদের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। আদমদিঘী স্টেশন হতে গণীপুর পর্যন্ত প্রায় ১০ কিমি, রাস্তায় পানি জমে থাকে। এ সড়কে পানি নিষ্কাশনের কোনো ব্যবস্থা না থাকায় সামান্য বৃষ্টিতেই পাকা সড়কে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। ফলে স্কুলের শিক্ষার্থী, যানবাহন ও পথচারীদের পোহাতে হচ্ছে চরম দুর্ভোগ। তবে টেন্ডারের মাধ্যমে ড্রেনেজ ব্যবস্থা করে সমস্যাটি নিরসন করা হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান। রবিবার সকালে সরেজমিন গিয়ে দেখা গেছে, উপজেলার রামপুরা মোড়ে পানি নিষ্কাশনের কোনো ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় সামান্য বৃষ্টিতেই সড়কের উপর পানি জমে রয়েছে। গত ১০-১৫ দিন যাবৎ পানি নিষ্কাশনের কোনো ব্যাবস্থা না হওয়ায় সড়কের কার্পেটিং উঠে খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। ফলে অল্পদিনেই সড়কটি নষ্টের আশঙ্কা করছেন এলাকাবাসী। এ ছাড়া সেখান থেকে মাত্র ৫০ মিটার পশ্চিমে রামপুরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থাকায় শিক্ষার্থীরা বাধ্য হয়ে ওই মোড়ের নোংড়া পানি অতিক্রম করে স্কুলে যাচ্ছে। শিক্ষার্থীদের পাশাপা

শি কদমা, করজবাড়ি, গণিপুরসহ বেশ কয়েকটি গ্রামের যানবাহন ও পথচারীদের পোহাতে হচ্ছে চরম দুর্ভোগ। রামপুরা গ্রামের অটোভ্যান চালন আনোয়ার হোসেন জানান, ‘পাকা সড়কের ওপর এক হাটু পানি জমে থাকায় স্কুলের কোমলমতি শিক্ষার্থীরা এখানে এসে থেমে যাচ্ছে। তাদের কষ্ট দেখে আমরা ভ্যানে করে ওই জায়গাটুকু পার করে দেই। শুধু তাই নয়, প্রয়োজনীয় কাজ ছাড়া এই মোড়ে কেউ আসছেনা। যারা পায়ে হেঁটে এই মোড় অতিক্রম করতেন তারা পানিবাহিত রোগের ভয়ে আর চলাচল করছেন না।’ কদমা গ্রামের তুষার নামের এক শিক্ষার্থী বলেন, ‘এই সড়ক দিয়ে প্রতিদিন কলেজে যেতাম। পানি জমে থাকা স্থানে গর্ত সৃষ্টি হয়ে ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় এখন সান্তাহার হয়ে ১০ কিলোমিটার ঘুরে কলেজে যেতে হচ্ছে। ফলে এক দিকে অধিকভাড়া গুনতে হচ্ছে অন্য দিকে সময় নষ্ট হচ্ছে।’  রামপুরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি লোকনাথ চন্দ্র পাল জানান, সড়কের অন্যান্য স্থানের চেয়ে রামপুরা মোড় অধিক নিচু। আগে মোড়ের পানি দু’পাশের পুকুরে নেমে যেত। সম্পতি পুকুর মালিকরা পানি নিষ্কাশন করতে না দেয়ায় এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। তবে স্কুলের দিকে নিষ্কাশনের ব্যবস্থা থাকলেও বর্তমানে সেদিক দিয়ে আর পানি নামছে না। এতে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের স্কুলে যাওয়া আসার সময় দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। আদমদীঘি সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জিল্লুর রহমান জানান, বিষয়টি জানার পর পানি নিষ্কাশন করার জন্য দুই পুকুর মালিককে জনস্বার্থে নোটিশ করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে দ্রুত পানি নিষ্কাশনের একটি ব্যবস্থা করা হবে। পরবর্তীতে টেন্ডারের মাধ্যমে ড্রেনেজ ব্যবস্থা করে এ সমস্যার সমাধান করা হবে।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© All rights reserved © 2022 Muktinews24.com © এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি। সকল স্বত্ব www.muktinews24.com কর্তৃক সংরক্ষিত.
Technical Support Moinul Islam