তথ্য মন্ত্রনালয় কর্তৃক নিবন্ধনকৃত, যার রেজি নং-৩৬

শুক্রবার, ০৭ অক্টোবর ২০২২, ০৩:২১ পূর্বাহ্ন

বঙ্গবন্ধু টানেল নির্মাণের কাজ বাকি ১০ শতাংশ, উন্মুক্ত হচ্ছে এ বছর

  • প্রকাশ বৃহস্পতিবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২২, ৪.৪৬ এএম
  • ২৫ বার ভিউ হয়েছে

মুক্তিনিউজ২৪ ডট কম ডেস্ক: চলতি বছরের ডিসেম্বরেই চালু হতে যাচ্ছে মেগা প্রকল্প বঙ্গবন্ধু টানেল। ১০ হাজার ৩৭৪ কোটি টাকা ব্যয়ে কর্ণফুলী নদীর তলদেশে নির্মাণাধীন টানেলের কাজ নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে শেষ হবে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা। ইতোমধ্যে ৯০ শতাংশ কাজ শেষ। আর মাত্র ১০ শতাংশ কাজ বাকি। এই ১০ শতাংশ কাজ শেষ করে নদীর তলদেশ দিয়ে দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম টানেল অপার বিস্ময়ের ‘বঙ্গবন্ধু টানেল’র স্বরূপ উন্মোচিত হবে। তাই যতোই দিন ঘনিয়ে আসছে টানেল ঘিরে পদ্মা সেতুর পর আরেক ধামাকা উৎসবের আমেজ বইছে চট্টগ্রামজুড়ে। বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও টানেল নিয়ে লেখালেখির কমতি নেই। ফেসবুক ওয়ালেও শোভা পাচ্ছে টানেলের ছবি।

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের গতকাল বুধবার সচিবালয়ের গণমাধ্যম কেন্দ্রে বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট রিপোর্টার্স ফোরাম (বিএসআরএফ) আয়োজিত ‌‘বিএসআরএফ সংলাপ’-এ অংশ নিয়ে জানান, কর্ণফুলী নদীতে বঙ্গবন্ধু টানেলের একটি টিউব অক্টোবরে আর আরেকটি নভেম্বরে উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রকল্প সূত্রে জানা যায়, কর্ণফুলীর তলদেশে দুটি টিউবের মাধ্যমে হবে দুইলেন করে মোট চারলেন সড়ক। প্রতিটি টিউবের দৈর্ঘ্য ২ দশমিক ৪৫ কিলোমিটার। তবে টানেলের মোট দৈর্ঘ্য হবে ৩ দশমিক ৩২ কিলোমিটার। এরসঙ্গে থাকছে দু’পাড়ে সংযোগ সড়ক। এরমধ্যে শহর প্রান্তে সিটি আউটার রিং রোড এবং আনোয়ারা প্রান্তে প্রায় ১০ কিলোমিটার সড়ক, যা কক্সবাজার মহাসড়কের সঙ্গে মিলিত হবে। মহেশখালীর মাতারবাড়িতে নির্মিত হচ্ছে গভীর সমুদ্র বন্দর। এ টানেলে যোগাযোগ স্থাপিত হবে সেই সমুদ্র বন্দরের সঙ্গেও।

স্বপ্নের এ প্রকল্পের কাজ শেষ করতে সময় ধরা হয়েছিল ২০২২ সালের জুন মাস। কিন্তু করোনা মহামারীর কারণে ধাক্কা খেতে হয় এ কাজে। চীন থেকে প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম নিয়ে আসা বাধাগ্রস্ত হয়। এছাড়া ছুটিতে যাওয়া চীনা প্রকৌশলী ও কর্মকর্তারা আটকা পড়ে যান মহামারিতে। তাছাড়া শুরুর দিকে ভূমি অধিগ্রহণ সংক্রান্ত জটিলতাও ছিল। কিন্তু এখন আর কোন প্রতিবন্ধকতা নেই। ফলে কাজ দ্রুত এগিয়ে চলেছে সমাপ্তির দিকে। নতুন করে নির্ধারণ করা সময়ের মধ্যেই কাজ শেষ করা সম্ভব হবে বলে আশা করছেন কর্মকর্তারা। টানেল চালু হলে এর রক্ষণাবেক্ষণ এবং টোল আদায়ের কাজটি করবে নির্মাণকারী চীনা প্রতিষ্ঠান। কর্ণফুলীর তলদেশে নির্মাণাধীন বঙ্গবন্ধু টানেল বা সুড়ঙ্গপথটি যাচ্ছে ১৮ থেকে ৩১ মিটার গভীরতায়। পতেঙ্গা প্রান্ত থেকে শুরু হওয়া এ টানেল তলদেশ ফুঁড়ে বেরিয়েছে দক্ষিণ পাড়ের সিইউএফএল (চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার লিমিটেড) এবং কাফকো (কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড) কারখানার মাঝামাঝি স্থান দিয়ে। দুই টিউব মিলে এ টানেলের প্রশস্ততা ৩৫ ফুট আর উচ্চতা হবে ১৬ ফুট, যার মধ্যদিয়ে বড় বড় যানবাহন অনায়াসেই পারাপার হতে পারবে।

প্রকল্প সূত্রে জানা যায়, এই টানেল দিয়ে প্রথম বছরে ৬৩ লাখ গাড়ি চলাচল করবে। কয়েক বছরের মধ্যে গাড়ি চলাচলের পরিমাণ ১ কোটি ৪০ লাখে পৌঁছবে। এসব গাড়ির প্রায় ৫১ শতাংশ কন্টেইনারবাহী ট্রেইলর, বিভিন্ন ধরণের পণ্যবাহী ট্রাক ও কাভার্ডভ্যান। বাকি ৪৯ শতাংশের মধ্যে ১৩ লাখ বাস, মিনিবাস ও মাইক্রোবাস। ১২ লাখ কার, জিপ ও বিভিন্ন ধরনের ছোট গাড়ি।

৩ দশমিক ৪০ কিলোমিটার মূল টানেলের সঙ্গে উভয় প্রান্তে ৫ দশমিক ৩৫ কিলোমিটার সংযোগ সড়ক নির্মিত হবে। নদীর তলদেশে এর গভীরতা হবে ১৮ থেকে ৩১ মিটার। চারলেনের টানেলে দুটি টিউব থাকবে। টানেলের ভেতরে দুটি টিউবে ওয়ানওয়ে গাড়ি চলবে। একটি দিয়ে শহর থেকে আনোয়ারামুখী গাড়ি যাবে, অপরটি দিয়ে আনোয়ারা থেকে শহরমুখী গাড়ি আসবে। একটি টিউব ১০ দশমিক ৮ মিটার বা ৩৫ ফুট চওড়া এবং উচ্চতায় হবে ৪ দশমিক ৮ মিটার বা প্রায় ১৬ ফুট। প্রকল্প সূত্রে জানা গেছে, কর্ণফুলী নদীর তলদেশ দিয়ে দুই টিউবের চার লেনের টানেলের খনন কাজ শেষে একে একে স্থাপিত হয়েছে লেন স্লাব, পেভমেন্ট স্লাব, ক্রস প্যাসেজ। ক্রস প্যাসেজের দুটি কাজ প্রায় শেষ। অপর একটি কাজ সহসা শুরু হচ্ছে। ইলেক্ট্রোমেকানিক্যাল সব ধরনের কাজ এগিয়ে চলেছে। ভেন্টিলেশন, পাওয়ার, ফায়ার ফাইটিংয়ের কাজ বর্তমানে চলমান। এছাড়া প্রকল্পে ছোট ছোট আরও বিভিন্ন কাজ সম্পন্ন করা হচ্ছে। এদিকে টানেলকে ঘিরে একের পর এক খুলছে নতুন নতুন সম্ভাবনার দুয়ার। বাড়ছে টানেল সংযুক্ত সড়কের আশেপাশের জমির দাম। গড়ে উঠছে নতুন নতুন শিল্পকারখানা।

জমির দাম

ইতোমধ্যে বঙ্গবন্ধু টানেলকে ঘিরে আনোয়ারার জায়গা জমির দাম বেড়েই চলেছে। বিশেষ করে টানেল সংযুক্ত সড়কের আশপাশের এলাকার জমি দাম বছরের ব্যবধানে বেড়েছে কয়েকগুণ। বৈরাগ, চাতরী, বারশত, বটতলী এলাকার জমি বিক্রি হচ্ছে চড়া দামে। তবুও থেমে নেই জমি বেচাকেনা। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে এসে জমি কিনতে ভিড় জমাচ্ছেন শিল্পপতি ও ব্যবসায়ীরা।

যোগাযোগ ব্যবস্থা

টানেলের সংযোগ সড়কের সঙ্গে সংযুক্ত করতে ৩৯০ কোটি টাকা ব্যয়ে কর্ণফুলীর শিকলবাহা ওয়াই জংশন থেকে আনোয়ারা কালাবিবির দীঘি পর্যন্ত সাড়ে ১১ কিলোমিটার সড়ক ছয় লাইনে উন্নীত করছে সড়ক ও জনপথ বিভাগ। সড়কের দুইপাশে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করে বালি ভরাট ও কালভার্ট নির্মাণের কাজও প্রায় শেষ পর্যায়ে।

শিল্প কারখানা

টানেলকে ঘিরে দক্ষিণ চট্টগ্রামে ইকোনমিক জোনসহ বিশাল অর্থনৈতিক কর্মযজ্ঞ চলছে। ইতিমধ্যে আনোয়ারায় অবস্থিত কোরিয়ান রপ্তানি প্রক্রিয়াজাতকরণ অঞ্চল (কেইপিজেড), বেসরকারিখাতে সবচেয়ে বড় সার কারখানা (কাফকো), চট্টগ্রাম ইউরিয়া ফার্টিলাইজার লিমিটেডে (সিইউএফএল), সা’দ মুছা ইন্ড্রাস্ট্রিয়াল পার্কের মতো পুরনো কারখানাগুলোর কার্যক্রম সম্প্রসারণ করা হচ্ছে। এছাড়াও বঙ্গবন্ধু টানেলের অ্যাপ্রোচ রোডের কাছাকাছি এলাকায় প্রায় এক একর জায়গাজুড়ে গড়ে উঠেছে বিশাল পোশাক কারখানা এইচএস কম্পোজিড টেক্সটাইল। আশা করা হচ্ছে এই পোশাক কারখানায় তিন থেকে পাঁচ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান হবে। কর্ণফুলী ও আনোয়ারা উপজেলায় কারখানা স্থাপনের লক্ষে জমি ক্রয় করেছে দেশের শীর্ষ শিল্প প্রতিষ্ঠান আকিজ গ্রুপসহ ফোরএইচ গ্রুপ, ডায়মন্ড সিমেন্ট, এস আলম গ্রুপ ও পারটেক্স গ্রুপ।

ফায়ার সার্ভিস

কর্ণফুলী নদীর তলদেশে নির্মাণাধীন তিন কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের এ টানেলের দু’প্রান্তে স্থাপন করা হবে দুটি ফায়ার স্টেশন। স্টেশনগুলোতে থাকবে বিশ্বমানের অগ্নিপ্রতিরোধ ব্যবস্থা। এছাড়া টানেল এলাকায় উন্মুক্ত থাকবে এ সংক্রান্ত নানা তথ্য। ফায়ার সার্ভিসের তথ্যমতে, স্টেশন দুটি থেকে পুরো টানেলের অগ্নিপ্রতিরোধ ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হবে। কোনো কারণে অগ্নিকাণ্ড ঘটলে মুহূর্তেই দুই স্টেশনের কর্মীরা ঘটনাস্থলে ছুটে যাবেন। অগ্নিনির্বাপণে স্টেশন দুটিতে থাকবে বিশেষ ধরনের যন্ত্রাংশ। চট্টগ্রাম ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক ফারুক হোসেন সিকদার বলেন, টানেলের দু’প্রান্তে দুটি অত্যাধুনিক ফায়ার স্টেশন নির্মাণ করা হবে। দ্রুত সময়ের মধ্যেই টানেল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে স্টেশন স্থাপনের কাজ শুরু হবে। আমাদের দেয়া নকশা বা টানেল কর্তৃপক্ষের নকশা অনুযায়ী আলোচনার মাধ্যমে স্টেশন স্থাপন হবে। স্টেশন দুটিতে বিশ্বমানের ইকুইপমেন্ট থাকবে।

টানেল রক্ষণাবেক্ষণ

টানেল রক্ষণাবেক্ষণ ও টোল আদায়ে সার্ভিস প্রোভাইডার হিসেবে চায়না কমিনিউকেশন কনস্ট্রাকশন কোম্পানি লিমিটেডকে (সিসিসিসি) নিয়োগ দিয়েছে সরকার। টানেল মেইনটেন্যান্স, ব্রিজ/ভাইয়াডাক্ট মেইনটেন্যান্স, উভয় পাশের অ্যাপ্রোচ রোড মেইনটেন্যান্স, ইনস্টল অ্যান্ড মেইনটেনিং টানেল হেলথ মনিটরিং সিস্টেম, পেট্রল অ্যান্ড রেসকিউ, অটোমেটিক ওয়েস্কেল ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড টোল কালেকশন, ইন্টিলিজেন্ট ট্রাফিক সিস্টেম (আইটিএস) সার্ভিল্যান্স সিস্টেম, টানেল ওয়াটার সাপ্লাই অ্যান্ড ড্রেইনেজ সিস্টেম, টানেল ফায়ার রেসকিউ সিস্টেম, টানেল এয়ার ভেন্টিলেশন অ্যান্ড লাইটিং সিস্টেম অ্যান্ড লাইটিং সিস্টেম প্রভৃতি। সূত্র জানায়, টানেলের রক্ষণাবেক্ষণে পারফরম্যান্স বেজড মেইনটেইন্যান্স পদ্ধতি অনুসরণের প্রস্তাব করা হয়েছে। এ পদ্ধতিতে আধুনিক প্রযুক্তি অর্থাৎ টানেলের বিভিন্ন অংশে সেন্সর ব্যবহারের মাধ্যমে স্ট্রাকচারাল হেলথ মনিটরিং সিস্টেম চালু করা হবে। এর ফলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে টানেলের বর্তমান অবস্থা মূল্যায়ন করে রক্ষণাবেক্ষণের সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং সে অনুযায়ী রক্ষণাবেক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। রক্ষণাবেক্ষণকারী সংস্থা টানেল বা এর আওতাধীন অন্য যে কোনো অবস্থানে বিদ্যমান যানবাহন সংক্রান্ত তথ্যাদি স্বয়ংক্রিয়ভাবে মোবাইল, বেতার বা অন্য কোনো ডিভাইসের মাধ্যমে জানার লক্ষ্যে অত্যাধুনিক প্রযুক্তির ট্রাফিক ইনফরমেশন অ্যাপ্লিকেশন চালু করবে।

স্বয়ংক্রিয়ভাবে পেভমেন্টের ক্ষতির পরিমাণ ও অবস্থান জানার জন্য রেয়াল টাইম রোড পেভমেন্ট ড্যামেজ ডিক্টেশন সিস্টেম চালু এবং স্বয়ংক্রিয় ওজন নিয়ন্ত্রণ ও ইলেকট্রনিক টোল কালেকশন (ইটিসি) সিস্টেম চালু করা হবে। টানেলের রক্ষাণাবেক্ষণে সিসিসিসি কর্তৃক দেশীয় জনবল সমন্বয়ে গঠিত টিমকে টানেল রক্ষণাবেক্ষণ বিষয়ে প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ দেবে। প্রকল্প পরিচালক প্রকৌশলী মো. হারুনুর রশীদ জানান, টানেলের ৯০ ভাগ কাজ শেষ হয়েছে। উভয় পাশের সংযোগ সড়কের কাজও সমানতালে চলছে। আমরা নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই কাজ শেষ করতে চাই। অর্থাৎ দেশের এই মেগা প্রকল্পটির সফল উন্মোচন করতে তৎপর রয়েছি।

প্রসঙ্গত, চীনের সাংহাই শহরের আদলে বন্দরনগর চট্টগ্রাম শহরকে ‘ওয়ান সিটি টু টাউন’ মডেলে গড়ে তোলার লক্ষ্যে নগরের পতেঙ্গা ও দক্ষিণ চট্টগ্রামের আনোয়ারার মধ্যে সংযোগ স্থাপনে কর্ণফুলী নদীর তলদেশে টানেল নির্মাণের উদ্যোগ নেয় সরকার। ২০১৬ সালের ১৪ অক্টোবর এ প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। পরে ২০১৯ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি কর্ণফুলী সুড়ঙ্গ বা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেল নির্মাণের কাজ আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। টানেলটি নির্মাণে ব্যয় ধরা হয় ১০ হাজার ৩৭৪ কোটি টাকা। এর মধ্যে প্রকল্প ঋণ হিসেবে পাঁচ হাজার ৯১৩ কোটি ১৯ লাখ টাকা অর্থায়ন করছে চায়না এক্সিম ব্যাংক। এছাড়া বাকি অর্থায়ন বাংলাদেশ সরকারের (জিওবি)।

টানেলটি নির্মিত হলে ত্বরান্বিত হবে কর্ণফুলী নদীর পূর্বপ্রান্তের প্রস্তাবিত শিল্প এলাকার উন্নয়ন। পশ্চিম প্রান্তে অবস্থিত চট্টগ্রাম শহর, চট্টগ্রাম বন্দর ও বিমানবন্দরের সঙ্গেও স্থাপিত হবে উন্নত ও সহজ যোগাযোগ ব্যবস্থা। কমে যাবে ভ্রমণের সময় ও খরচ। এছাড়া পূর্বপ্রান্তের শিল্পকারখানার কাঁচামাল ও প্রস্তুত করা মালামাল চট্টগ্রাম বন্দর, বিমানবন্দরসহ দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে পরিবহন প্রক্রিয়া সহজ হবে। কর্ণফুলী নদীর পূর্বপ্রান্তের সঙ্গে সহজ যোগাযোগ ব্যবস্থা স্থাপনের ফলে বিকশিত হবে পর্যটনশিল্প।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© All rights reserved © 2022 Muktinews24.com © এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি। সকল স্বত্ব www.muktinews24.com কর্তৃক সংরক্ষিত.
Technical Support Moinul Islam