তথ্য মন্ত্রনালয় কর্তৃক নিবন্ধনকৃত, যার রেজি নং-৩৬

শনিবার, ০১ অক্টোবর ২০২২, ০৩:২৪ অপরাহ্ন

যমুনায় আবারো ভাঙ্গন, গুচ্ছগ্রামের বহু ঘর নদীগর্ভে বিলীন

  • প্রকাশ মঙ্গলবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২২, ৫.১৫ এএম
  • ১৭ বার ভিউ হয়েছে

মুক্তিনিউজ২৪ ডট কম ডেস্ক:  সিরাজগঞ্জের এনায়েতপুর থানার দক্ষিণ এলাকায় আবারো ভয়াবহ ভাঙন শুরু হয়েছে। যমুনা নদীতে তীব্র ¯্রােতে ঘূণ্যবর্তের সৃষ্টি হয়ে এ ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। ইতিমধ্যেই অর্ধশতাধিক বসত ভিটাসহ গুচ্ছগ্রামের বহু ঘর ও জায়গা জমি নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।  স্থানীয় পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী (হেডকোয়ার্টার) রনজিৎ কুমার সরকার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, প্রায় ২ সপ্তাহ আগে প্রবল বর্ষণ ও পাহাড়ী ঢলে যমুনা নদীর পানি বাড়লেও কয়েকদিন ধরে পানি কমতে শুরু করেছে। কয়েকদিন ধরে যমুনার পানি কমতে থাকায় ঘূণ্যবর্তের সৃষ্টি ও দফায় দফায় বর্ষণে এ ভাঙ্গনের সৃষ্টি হয়েছে। এ পর্যন্ত জালালপুরের আবাসন প্রকল্প ও গুচ্ছগ্রামের ৯০টি ঘরসহ অর্ধশতাধিক বসতভিটা নদী গর্ভে চলে যায়। এছাড়া বৃহস্পতিবার রাতে জালালপুর ও পাকুরতলা এলাকার কয়েকটি ঘরবাড়ি ও বসত ভিটা নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যায়। ভাঙ্গন অব্যাহত থাকায় অনেক পরিবার এখন মানবেতর জীবনযাপন করছে।

এতে এনায়েতপুর-সিরাজগঞ্জ আঞ্চলিক সড়ক, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, জালালপুর আবাসনের ১৪৮টি ঘরসহ বহু স্থাপনা হুমকির মুখে পড়েছে। তবে ভাঙ্গন রোধে ইতিমধ্যেই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। শাহজাদপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ তরিকুল ইসলাম শুক্রবার ভাঙ্গন এলাকা পরিদর্শন করেছেন। এদিকে সরকার ভাঙ্গন রোধে এনায়েতপুর-থেকে পাচিল পর্যন্ত প্রায় সাড়ে ৬ কিলোমিটার এলাকায় নদী তীর রক্ষায় সাড়ে ৬শ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছে এবং নির্বাচিত ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান ইতিমধ্যেই কাজ শুরু করেছে। তবে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের গাফিলতি ও পাউবো কর্মকর্তাদের তদারকির অভাবে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন না করায় আবারো ভাঙ্গন শুরু হয়েছে। এ ভাঙ্গন ঠেকাতে দ্রুত জিও ব্যাগ ডাম্পিংসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের দাবি এলাকাবাসীর।

এ বিষয়ে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানসহ ভুক্তভোগীরা বলছেন, এ ভয়াবহ ভাঙন রোধে স্থায়ী বাঁধের কাজ জরুরী ভিত্তিতে বাস্তবায়নের দাবী জানান। অবশ্য পানি উন্নয়ন বোর্ডের ওই কর্মকর্তা বলছেন, ওই প্রকল্পে ঠিকাদারী ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের তদরকির কোন অভাব নেই এবং যথানিয়মে কাজ চলছে। এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক ড. ফারুক আহাম্মদ এ প্রতিবেদককে বলেন, ২০০৬ সালে সরকারি আবাসন ওই গুচ্ছগ্রাম স্থাপন করা হয়। এ গুচ্ছগ্রামে ২৩৮টি পরিবার বসবাস করছিল। যমুনার ভাঙ্গনে এ পর্যন্ত ৯০টি ঘর যমুনা গর্ভে বিলিন হয়েছে। ইতিমধ্যেই ভাঙ্গন রোধে ওই এলাকায় স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ শুরু হয়েছে। এ বাঁধ নির্মাণ হলে ভাঙ্গন রোধ হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© All rights reserved © 2022 Muktinews24.com © এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি। সকল স্বত্ব www.muktinews24.com কর্তৃক সংরক্ষিত.
Technical Support Moinul Islam