তথ্য মন্ত্রনালয় কর্তৃক নিবন্ধনকৃত, যার রেজি নং-৩৬

মঙ্গলবার, ০৬ ডিসেম্বর ২০২২, ১০:২২ পূর্বাহ্ন

আদমদীঘিতে গ্রাম বংলার ঐতিহ্য নবান্ন উৎসব পালিত

  • প্রকাশ বৃহস্পতিবার, ১৭ নভেম্বর, ২০২২, ৯.৩৯ এএম
  • ২৪ বার ভিউ হয়েছে

 

এএফএম মমতদাজুর রহমান আদমদীঘি (বগুড়া) প্রতিনিধি ঃ
বগুড়ার আদমদীঘিতে নানান কর্মসূচির মধ্যদিয়ে ঐতিহ্যবাহী নবান্ন উৎসব উদযাপিত হয়েছে। বাঙ্গালীর ঐতিহ্য নবান্ন উৎসব-আদমদীঘিতে মেয়ে-জামাই সহযোগে ঈদের আমেজে পালন করা হয়। মাওলানা নামের কিছুু ধর্মান্ধরা বলে থাকেন নবান্ন হচ্ছে হিন্দুদের জন্য। মুসলমান ধর্মের মানুষদের এটা পালন করা জায়েজ নয়। ওদের এ ধরণের কথা যে মন গড়া এবং ধর্মবিদ্বেসী তার প্রমান মেলে বাংলা অগ্রহায়ন মাসের প্রথম ও দ্বিতীয় দিন গ্রামে গ্রামে ঘুড়ে স্বচে দেখলে। বুধবার ও বৃহশপ্রতিবার সকাল থেকে বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলার শালগ্রাম, কালাইকুড়ি, সাগরপুর, কাল্লাগাড়ী, কৈকুড়ি, কোমারপুর, কোমারভোগ সহ বেশ কিছু গ্রামে ঘুড়ে দেখা গেল এসব গ্রামে কোন হিন্দু ধর্মাম্বলী নেই। কিন্তু আছে বাঙ্গালীর ঐতিহ্যবাহী নবান্ন উৎসব। এ উৎসব পালন উপলে প্রতিটি বাড়ীতে জড়ানো হয়েছে মেয়ে-জামাই, নাতি-নাতনি ও আতœীয় স্বজন। উৎসবটি পালন কর হচ্ছে ঈদের আমেজে। গ্রামের প্রতিটি বাড়ী থেকে বাতাসে ভেঁসে আসছিল উন্নত মানের খাবার বিশেষ করে মহিষ ও গরুর গোস্ত রান্নার সুবাস। নবান্ন উৎসব পালন উপলে ওই সব গ্রামসহ আশপাশের প্রায় অর্ধ শতাধিক গ্রামে প্রতি বছরের মত এবারো জবাই করা হয়েছে মহিষ ও গরু। গ্রামের প্রতিটি পাড়া মহল্লা ও মোড়ে মোড়ে বসেছে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী চুড়ি-ফিতা, আলতা ও বাচ্চাদের খেলার সামগ্রী এবং জিলাপী, রসগোল্লা, চমচম, বাতাসা, মুড়কি ও পাঁপড় ভাজা সহ মূখরোচক নানান পন্যের মেলা। পাশাপাশি তৈরী হতে দেখা যায় মঞ্চ। যেখানে রাতের বেলা বসবে জারিসারি আর পালা গানের আসর।
বৃহস্পতিবার উপজেলার শালগ্রামে গিয়ে কথা হল ইসমাইল আলী নামের এক ব্যক্তির সাথে। তিনি ুদ্ধস্বরে বলেন, ওরা আসলে মিথ্যা কথা বলে ধর্মপ্রান মানুষকে বিভ্রান্ত করে। নবান্ন কোন ধর্মের নয়, এটা বাঙ্গালীর ঐতিহ্য। পূর্ব পূরুষরাও এ উৎসব পালন করেছে আমরাও করছি। ছেলে-মেয়ের সাথে জামাই আর নাতি-নাতনি ও নিকট আতœীয় নিয়ে নতুন ধানের চালের ভাত গোস্ত খাওয়ার আনন্দই অন্য রকম। এর সাথে ধর্মের লেজুর জুড়ে দেওয়া ঠিক নয়। একই ধরণের কথা বলেন, কোমারভোগ গ্রামের আব্দুর রশিদ এবং উপজেলা কেন্দ্রীয় কৃষকলীগের সভাপতি শালগ্রাম নিবাসী মিজানুর রহমান বাবু। ছাতিয়ানগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আব্দুল হক আবু বলেন, পুর্ব পুরুষের আমল থেকেই উপজেলায় এভাবে নবান্ন উৎসব পালন হয়ে আসছে। আর দিন দিন এ উৎসব পালনের মাত্রা বৃদ্ধি পাচ্ছে। মোট কথা গ্রাম বাংলায় নবান্ন উৎসব পালন করা হয় অনেকটা ঈদের আমেজে।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© All rights reserved © 2022 Muktinews24.com © এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি। সকল স্বত্ব www.muktinews24.com কর্তৃক সংরক্ষিত.
Technical Support Moinul Islam