
মুক্তিনিউজ২৪.কম ডেস্ক: ভারতের আসামের নুমালিগড় রিফাইনারি কেন্দ্র থেকে পাইপ লাইনে সরাসরি দিনাজপুরের পাবর্তীপুরের রেলহেড ডিপোতে আসতে শুরু করেছে ৫ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল। ৬০ ঘণ্টার মধ্যে ডিজেল পৌঁছাবে ডিপোর সংরক্ষণাগারে।
ডিপোর ব্যবস্থাপক আহসান হাবিব জানান, সোমবার বিকাল থেকে পাইপ লাইনে পাম্পিং করে ডিজেল সরবরাহ শুরু হয়েছে ভারতের নূমালীগড় রিফাইনারী।
জ্বালানি সংকট মেটাতে ও মজুত স্বাভাবিক রাখতে বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী দিনাজপুরের পার্বতীপুর পাইপলাইনে তেল সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে। তবে বর্তমান জ্বালানি সংকট মোকাবেলায় ভারতের কাছে অতিরিক্ত ৫০ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল আমদানির প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।
সোমবার বিকাল থেকে ৫ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল পাইপ লাইন দিয়ে বাংলাদেশে পার্বতীপুর ডিপোতে সরবরাহ শুরু হয়েছে। ডিপো কর্তৃপক্ষ বলছে আগের চুক্তি অনুযায়ী তেল আসছে।
জ্বালানি নিরাপত্তার অংশ হিসেবে ভারতের রাষ্ট্রায়ত্ত তেল কোম্পানি ইন্ডিয়ান অয়েল করপোরেশন লিমিটেড (আইওসিএল) এবং আসামের নুমলীগড় রিফাইনারি লিমিটেড (এনআরএল)-এর কাছ থেকে চার মাসে ৫০ হাজার টন ডিজেল সরবরাহের জন্য আহ্বান জানিয়েছে ঢাকা।
দিনাজপুর জেলা পেট্রোল পাম্প ও জ্বালানি তেল পরিবেশক মালিক গ্রুপের সভাপতি মো. রজব আলী সরকার জানান, ভারত থেকে সরাসরি দিনাজপুরের পার্বতীপুরের রেলহেড তেল ডিপোতে পাইপ লাইনের মাধ্যমে জ্বালানি তেল (ডিজেল) সরবরাহ হয়ে থাকে। সোমবার বিকাল থেকে ৫ হাজার মেট্রিক টন তেল আসা শুরু হয়েছে।
একাধিক সূত্রে জানা যায়, জ্বালানি তেলের মজুদ স্বাভাবিক রাখতে এবং নিরবিচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করতে সরকার জরুরিভিত্তিতে এই উদ্যোগ নিয়েছে।পার্বতীপুর তেল ডিপো থেকে পেট্রোল পাম্পগুলোতে চাহিদার তুলনায় অনেক কম তেল সরবরাহ করা হচ্ছে।
পার্বতীপুর রেল হেড ডিপোর তত্ত্বাবধায়ক জানিয়েছেন প্রতিদিন পেট্রোল অকটেন ১ এক লাখ তিরিশ হাজার লিটারের পরিবর্তে দেওয়া হচ্ছে ১ লাখ ৫ হাজার লিটার। ডিজেল সরবরাহ কম থাকায় রেশনিং হারে পেট্রোল পাম্পগুলোকে দেওয়া হচ্ছে।
জানা গেছে, কৃষি নির্ভর উত্তরের ৮ জেলায় চাষাবাদ সেচে জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিতের পাশাপাশি ডিজেল নির্ভর জ্বালানি সরবরাহ যানবাহন চলাচল নির্বিঘ্ন রাখতে পাইপ লাইনের মাধ্যমে ডিজেল নিতে ২০১৭ সালে ভারতের সাথে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল।