👁 81 Views

প্রাণের উৎসবে খুশির ছোঁয়া

মুক্তিনিউজ২৪.কম ডেস্ক: দীর্ঘ এক মাস সিয়াম সাধনার পর মুসলিম উম্মাহর দুয়ারে কড়া নাড়ছে পবিত্র ঈদুল ফিতর। বাংলাদেশের আকাশে আজ বৃহস্পতিবার শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা গেলে আগামীকাল শুক্রবার সারা দেশে উদযাপিত হবে পবিত্র ঈদুল ফিতর। আর যদি আজ চাঁদ দেখা না যায়, তবে রমজান মাস ৩০ দিন পূর্ণ হবে এবং ঈদ উদযাপিত হবে আগামী শনিবার। তবে সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে গতকাল শাওয়াল মাসের চাঁদ যায়নি। তাই শুক্রবার দেশগুলোতে ঈদ উদযাপন হবে। সে হিসাবে বাংলাদেশে শনিবারই ঈদ হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।

আজ সন্ধ্যায় শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখার তথ্য পর্যালোচনা ও ঈদের তারিখ নির্ধারণে বৈঠকে বসছে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটি। ইসলামিক ফাউন্ডেশনের এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, রাজধানীর বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের সভাকক্ষে সন্ধ্যা ৬টায় এ সভায় সভাপতিত্ব করবেন ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ। বাংলাদেশের আকাশে কোথাও শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা গেলে ০২-৪১০৫৩২৯৪, ০২-২২৬৬৪০৫১০ এবং ০২-২২৩৩৮৩৩৯৭—এই ফোন নম্বরগুলোয় অথবা সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসক অথবা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে (ইউএনও) জানানোর জন্য অনুরোধ জানিয়েছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন।

এদিকে দীর্ঘ একমাস সিয়াম সাধনার পর মুসলিম ধর্মাবলম্বীদের পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপনের প্রস্তুতি প্রায় শেষ পর্যায়ে। চাঁদ দেখা যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই রেডিও-টেলিভিশনে বেজে উঠবে কালজয়ী সেই সুর ‘ও মন রমজানের ওই রোজার শেষে এলো খুশির ঈদ’। চাঁদ দেখার পর রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী দেশবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়ে পৃথক বাণী দেবেন। সরকারি-বেসরকারি ভবনসহ আলোকসজ্জায় সজ্জিত করা হবে প্রধান সড়কগুলো।

হাইকোর্ট সংলগ্ন জাতীয় ঈদগাহ ময়দানের ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে সকাল সাড়ে ৮টায়। বরাবরের মতো এবারও দেশের শীর্ষ পর্যায়ের ব্যক্তিরা এই জামাতে অংশ নেবেন। প্রধান জামাতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, মন্ত্রিপরিষদের সদস্য, সংসদ সদস্য, বিচারপতি এবং বিভিন্ন মুসলিম দেশের কূটনৈতিকরা উপস্থিত থাকবেন। এ বছরের প্রধান ঈদ জামাতে ইমামতি করবেন বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতিব মুফতি মুহাম্মদ আব্দুল মালেক।

জাতীয় ঈদগাহের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) পক্ষ থেকে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ঈদগাহ ময়দানে প্যান্ডেল তৈরি, বৃষ্টির পানি নিষ্কাশন এবং অজুখানাসহ সব ধরনের প্রস্তুতি শেষ পর্যায়ে রয়েছে। শহরবাসীকে যথাসময়ে ঈদগাহে উপস্থিত হওয়ার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে। আবহাওয়া প্রতিকূল থাকলে বিকল্প ব্যবস্থা হিসেবে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে প্রধান জামাত স্থানান্তরিত হতে পারে।

জাতীয় ঈদগাহ ছাড়াও বায়তুল মোকাররমে পর্যায়ক্রমে ৫টি জামাত অনুষ্ঠিত হবে। প্রথম জামাত হবে সকাল ৭টায়। এরপর এক ঘণ্টা পরপর তিনটি এবং জামাত সকাল পৌনে ১১টায় অনুষ্ঠিত হবে। জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় সকাল ৮টা, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের আয়োজনে আগারগাঁওয়ে পুরোনো বাণিজ্য মেলার মাঠে সকাল ৮টায় কেন্দ্রীয় জামাত অনুষ্ঠিত হবে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মসজিদে সকাল ৮টা এবং ৯টায় দুটি জামাত হওয়ার কথা রয়েছে।

×

শেয়ার করুন:

Download High Quality Image

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *