👁 112 Views

সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে বৃক্ষরোপণের গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা

মৌলভীবাজার প্রতিনিধি :

সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত বিক্ষরোপণের গুরুত্ব বিষয়ক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনের বিক্ষরোপণের অবদান, ছারা বিতরণ ও কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক- শিক্ষার্থীর বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশন পরিদর্শনকালে বিভিন্ন প্রজাতির গাছের ছারা উপহারের ভূয়সী প্রশংসা করা হয়। এছাড়াও পরিবেশ ও বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে বিশ্ববিদ্যালয় ও ফাউন্ডেশনের যৌথভাবে কাজ করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন বক্তারা।
সোমবার (২৯ জুন) আলোচনা সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মো. আলিমুল ইসলাম, ট্রেজারার প্রফেসর ড. মো. এ টি এম মাহবুব ই এলাহি, রেজিস্ট্রার প্রফেসর ড. মো. আসাদ-উদ-দৌলা, ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা পরিচালক প্রফেসর ড. মো. জসিম উদ্দিন, ভেটেরিনারি, এনিম্যাল অ্যান্ড বায়োমেডিক্যাল সায়েন্সেস অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মো. এ এস এম মাহবুব, পোস্ট গ্র্যাজুয়েট স্টাডিজ অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মো. মুক্তার হোসেন, বিভিন্ন বিভাগের চেয়ারম্যানবৃন্দ, শিক্ষকবৃন্দ এবং শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

সভায় মেডিসিন বিভাগের চেয়ারম্যান ড. মো. মতিউর রহমান বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে উপহার হিসেবে প্রদান করা ফুল, ফল ও বিভিন্ন প্রজাতির ভেষজ গাছের চারা গ্রহণের জন্য আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

এ সময় ভেটেরিনারি, এনিম্যাল অ্যান্ড বায়োমেডিক্যাল সায়েন্সেস অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মো. এ এস এম মাহবুব বলেন, পরিবেশ সংরক্ষণ, জীববৈচিত্র্য রক্ষা এবং শিক্ষার্থীদের মধ্যে বৃক্ষরোপণের গুরুত্ব তুলে ধরতে বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনের এ উদ্যোগ অত্যন্ত সময়োপযোগী ও প্রশংসনীয়। তিনি ফাউন্ডেশনের প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

পরবর্তীতে মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মো. আলিমুল ইসলাম বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনের পরিবেশবান্ধব ও জনকল্যাণমূলক এ উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং ফাউন্ডেশনের পরিচালকসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, একটি গাছ শুধু অক্সিজেনের উৎস নয়; এটি পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ, মাটি ও পানি রক্ষা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ ও বাসযোগ্য পৃথিবী গড়ে তুলতে অপরিসীম ভূমিকা পালন করে।

তিনি আরও বলেন, “আজ একটি গাছ লাগানো মানে আগামী প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করার পথে এক ধাপ এগিয়ে যাওয়া।” তাই প্রত্যেক নাগরিকের উচিত নিজ নিজ অবস্থান থেকে নিয়মিত বৃক্ষরোপণ করা এবং রোপণকৃত গাছের যথাযথ পরিচর্যা নিশ্চিত করা। তিনি বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনের এ ধরনের মহতী উদ্যোগ ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে বলে আশা প্রকাশ করেন এবং পরিবেশ ও বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে বিশ্ববিদ্যালয় ও ফাউন্ডেশনের যৌথভাবে কাজ করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *