👁 223 Views

আদমদীঘিতে খাল খননে ফিরল কৃষির সুদিন

 

এএফএমমমতাজুররহমান আদমদীঘি (বগুড়া) প্রতিনিধি ঃ
একসময়শুকনো মৌসুমেপানিরঅভাবআরবর্ষায়জলাবদ্ধতায়বিপাকেপড়তেনবগুড়ারআদমদীঘিউপজেলার কৃষকরা। তবেখালখনন ও সংস্কার কার্যক্রমেরফলেএখন সেইচিত্রবদলে গেছে। প্রাণফিরে পেয়েছেফসলিমাঠ কৃষকদের মুখেওফুটেছে স্বস্তিরহাসি। এদিকে খালখননেরপাশাপাশিখালের দুইপাশে বৃরোপণের উদ্যোগ নেওয়াহয়েছে। এরফলেএলাকারপ্রাকৃতিক সৌন্দর্য আরও বৃদ্ধি সহপরিবেশেরভারসাম্য রায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকারাখবে।
জানাযায়, শহীদ রাষ্ট্রপতিজিয়াউররহমানের ল্য ছিলগ্রামীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী ও স্বাবলম্বী করে তোলা। সেই ল্য বাস্তবায়নেতিনি দেশে খাদ্য ঘাটতি মোকাবিলাএবং কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধিরউদ্দেশ্যে খালখনন ও সেচব্যবস্থার উন্নয়নকর্মসূচিগ্রহণকরেন। এরফলে কৃষিতেনতুন সম্ভাবনারদ্বারউন্মোচিতহয়এবং দেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতাঅর্জনকরে। বাবার স্বপ্নকেধারণকরেবর্তমানপ্রধানমন্ত্রীতারেকরহমান দুর্যোগব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রণালয়েরআওতায়আগামীপাঁচবছরে ২০ হাজারকিলোমিটারখালপুনঃখননেরপরিকল্পনাগ্রহণকরেছেন।এরই অংশ হিসেবে দেশের ৫৪টি জেলায়একযোগেপ্রথমপর্যায়েরকাজশুরুহয়েছে। এই কর্মসূচিরধারাবাহিকতায়বগুড়ারআদমদীঘিউপজেলারছাতিয়ানগ্রাম, নসরতপুর ও আদমদীঘিসদরইউনিয়নেরজিনইরবড়আখাড়ি থেকে দত্তবাড়িয়াশাওইলগ্রামঅভিমুখীখালপুনঃখননকাজ গত ১০মে শুরুহয়। এই সংষ্কার কাজেকর্মসংস্থানেরসুযোগপায় ২২০ জনহতদরিদ্র উপকারভোগী। এই প্রকল্পটিরব্যয়ধরাহয়েছেউপকারভোগীদের জন্য ওয়েজ কস্ট বরাদ্দ ৪৭ লাখ ৯৫ হাজারএবংনন-ওয়েজ কস্ট খাতেরব্যয়বরাদ্দহয়েছেভ্যাট ও আয়করবাদ দিয়ে ৪০ লাখটাকা। ৮৭ লাখটাকার এই প্রকল্পেরকাজএখনোচলমানরয়েছে। এতে দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা দূর হওয়ারপাশাপাশি সেচসুবিধা বৃদ্ধি পাওয়ায়বদলে গেছে বিস্তীর্ণ ফসলিমাঠেরচিত্র। আর কৃষকদের মধ্যে দেখা দিয়েছে স্বস্তিএবংপ্রকৃতিফিরে পেয়েছেতারপ্রাণচাঞ্চল্য।
স্থানীয় কৃষক বেলাল ও রফিকুলইসলামজানান, দীর্ঘদিনসংস্কারহীনঅবস্থায়পড়ে থাকায়খালটিকার্যকারিতাহারিয়ে ফেলেছিল। সম্প্রতিখালটিপুনঃসংস্কার করায় সেচব্যবস্থার উন্নতিহয়েছেএবংচাষাবাদের খরচওকমবে। আগেপানিরসংকটেরকারণে যেসবজমিতেপুরোপুরিচাষাবাদ করা সম্ভব হতোনা সেসবজমিওএখনআবাদ করাযাবে। এছাড়াখালটিখননেপরিবেশেরভারসাম্য রাজলাধারণ মতা বৃদ্ধি এবংবর্ষা মৌসুমেজলাবদ্ধতানিরসনেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকারাখছে। সরকারেরএমন উদ্যোগেসাধুবাদ জানিয়েছেনতারা।
উপজেলানির্বাহীঅফিসারমাসুমা বেগমজানান, দীর্ঘদিনের খালগুলোভরাটহয়েযাওয়ায় কৃষকরা সেচেরজন্য পর্যাপ্তপানিপ্রাপ্তি থেকে বঞ্চিতহচ্ছিলেন। খালটিপুনঃখননেরফলে সেইসংকটঅনেকটাই দূর হয়েছে। এখনখালেরআশপাশেরজমিগুলোতে সেচসুবিধাসহজলভ্য হবে। শুধুতাইনয়বর্ষা মৌসুমে অতিরিক্ত পানিনিষ্কাশনেরব্যবস্থা না থাকায়জলাবদ্ধতায় কৃষকদের ব্যাপক তির সম্মুখীনহতেহতো। এখনখালটিপানিধারণমতা বৃদ্ধি পেয়েছে। তিনিআরওবলেন, খালপুনঃখননেরপাশাপাশিখালের দুইপাশে বৃরোপণের উদ্যোগ নেওয়াহয়েছে। এতে এলাকারপ্রাকৃতিক সৌন্দর্য বৃদ্ধি পাওয়ারপাশাপাশিপরিবেশেরভারসাম্য রায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকারাখবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *