
মুক্তিনিউজ২৪.কম ডেস্ক : সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ইস্যুকে কেন্দ্র করে ঢাকা-নয়াদিল্লির মধ্যে তৈরি হওয়া ‘সাময়িক’ টানাপোড়েন কাটতে শুরু করেছে। সম্পর্ক স্বাভাবিক করার অংশ হিসেবে আগামী নভেম্বরে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর নিয়ে কাজ করছেন দুই দেশের কর্মকর্তারা। এই সফরের সম্ভাব্য আলোচ্যসূচিতে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য স্বাভাবিক করা এবং গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তি নবায়নের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো স্থান পেতে পারে।
কূটনৈতিক তৎপরতার অংশ হিসেবে সম্প্রতি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ৭৬তম জন্মবার্ষিকীতে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান; জবাবে মোদীও তাঁকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। পাশাপাশি ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী সম্প্রতি পানিসম্পদমন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টাসহ বাংলাদেশ সরকারের একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তার সঙ্গে বৈঠক করে সফরের মাঠ প্রস্তুত করছেন।২০২৪ সালের আগস্টে গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতা হারানো শেখ হাসিনা বর্তমানে দিল্লিতে অবস্থান করছেন। তাঁকে ফেরত পাঠাতে ঢাকা অনুরোধ করলেও ভারত সরকার তাতে এখনো সাড়া দেয়নি। সম্প্রতি তাঁর একটি ভার্চ্যুয়াল সংবাদ সম্মেলন নিয়ে ঢাকায় ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হলে দুই দেশের সম্পর্কে কিছুটা শীতলতা দেখা দেয়। তবে এখন সেই স্থবিরতা কাটিয়ে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে ঢাকা ও দিল্লি।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য হিন্দুর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, লন্ডনে নির্বাসনে থাকাকালেও ভারতের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ বজায় রেখেছিলেন তারেক রহমান। এমনকি বিগত সরকারের সময়েও ২০১৮ ও ২০২৩ সালে বিএনপির শীর্ষ পর্যায়ের একাধিক প্রতিনিধিদল ভারত সফর করে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের উন্নয়ন ও গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষায় নয়া দিল্লির সমর্থন চেয়েছিল। বর্তমানে সেই ধারাবাহিকতাতেই নতুন সরকারের অধীনে দুই দেশের শীর্ষ পর্যায়ের এই সফরের প্রস্তুতি চলছে।