
মুক্তিনিউজ২৪.কম ডেস্ক : ডিম নিয়ে আমাদের দেশে আলোচনার শেষ নেই। বিশেষ করে ডিমের কুসুম খেলে কোলেস্টেরল বাড়ে কিংবা দিনে কয়টি ডিম খাওয়া উচিত—এসব নিয়ে অনেকেই দ্বিধাদ্বন্দ্বে থাকেন।
কেউ কেউ তো অতিরিক্ত স্বাস্থ্যসচেতন হতে গিয়ে প্রতিদিন ডিমের কুসুম ফেলে দিয়ে শুধু সাদা অংশটি খান। তবে সাম্প্রতিক গবেষণায় ডিম নিয়ে তৈরি হওয়া এসব পুরনো ধারণা বদলাতে শুরু করেছে।
পুষ্টিবিদদের মতে, ডিম শুধু একটি পুষ্টিকর খাবারই নয়, বরং এটি একটি পূর্ণাঙ্গ পুষ্টির আঁধার।
দিনে বা সপ্তাহে কয়টি ডিম খাবেন?
পুষ্টিবিদ ড. রূপালী দত্ত জানান, সবার জন্য ডিমের নির্দিষ্ট সংখ্যা এক নয়। তবে সুস্থ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ সপ্তাহে ৩ থেকে ৪ দিন প্রতিদিন একটি করে আস্ত ডিম অনায়াসে খেতে পারেন। শিশুদের দৈহিক বৃদ্ধি ও মেধা বিকাশের জন্য প্রতিদিন একটি করে ডিম দেওয়া যেতে পারে। অন্যদিকে, আমেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাম্প্রতিক গবেষণা বলছে, একজন সুস্থ মানুষ দিনে একটি আস্ত ডিম খেলে হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ার সম্ভাবনা থাকে না।
তবে যাদের উচ্চ কোলেস্টেরল, ডায়াবেটিস বা হৃদরোগের সমস্যা রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে ডিমের সংখ্যা নির্ধারণ করা উচিত।
কুসুম ফেলে দেওয়া কি বুদ্ধিমানের কাজ?
প্রখ্যাত পুষ্টিবিদ শালিনী সুধাকরের মতে, ডিমের কুসুম ফেলে দেওয়া একটি বড় ভুল। কুসুমে ভিটামিন এ, ডি, ই এবং বি১২-সহ অতি প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান থাকে। এ ছাড়া এতে থাকা ‘লুটিন’ ও ‘জেক্সানথিন’ আমাদের চোখের জ্যোতি বাড়াতে এবং মস্তিষ্কের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে দারুণ সাহায্য করে। তাই পুরো ডিম খাওয়াই সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ।