
পার্বতীপুর(দিনাজপুর) প্রতিনিধি :
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে শেষ হলো।
আজ বুধবার বিকেল পৌনে ৫টায় পার্বতীপুরের নতুন বাজার বারোয়ারী পূজা মন্দির থেকে শোভাযাত্রা শুরু হয়ে কালিবাড়ী মন্দিরে গিয়ে মিলিত হয়। এরপর পৌর শহরের ১৩টি পূজা মন্দিরের মধ্যে ৯টি মন্দিরের প্রতিমা একত্রে জমা হয়ে পার্বতীপুর শহর ঘেঁষে বয়ে যাওয়া তিলাই নদীতে বিসর্জন দেওয়া হয়। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের পাঁচ দিনব্যাপী এই বৃহৎ আনন্দ আয়োজন চলে। বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের পার্বতীপুর উপজেলা শাখার সভাপতি কৈলাশ প্রসাদ সোনার ও সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক দীপেশ চন্দ্র সিংহ নিশ্চিত করেন যে, এ বছর পার্বতীপুর উপজেলায় মোট ১৫০টি মন্দিরে সর্বজনীন দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। পূজাচলাকালীন আনন্দঘন পরিবেশ বজায় রাখতে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পরিদর্শন করতে উপজেলার প্রতিটি পূজা মন্ডপ ঘুরে দেখেন স্থানীয় সংসদ সদস্য এ. জেড. এম. রেজওয়ানুল হক এবং পার্বতীপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আরাফাত আমান আজিজ ও পার্বতীপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ আঃ ওয়াদুদ। প্রতিমা বিসর্জনকে কেন্দ্র করে তিলাই নদীর পাড়ে নেমেছিল ভক্ত ও সাধারণ মানুষের ঢল। আনন্দ-উচ্ছ্বাস ও বিদায়ের সুরের মধ্য দিয়ে আগামী বছর মা দুর্গার পুনরায় আগমনের প্রার্থনায় শেষ হয় এই শারদীয় উৎসব।
আজ বুধবার বিকেল পৌনে ৫টায় পার্বতীপুরের নতুন বাজার বারোয়ারী পূজা মন্দির থেকে শোভাযাত্রা শুরু হয়ে কালিবাড়ী মন্দিরে গিয়ে মিলিত হয়। এরপর পৌর শহরের ১৩টি পূজা মন্দিরের মধ্যে ৯টি মন্দিরের প্রতিমা একত্রে জমা হয়ে পার্বতীপুর শহর ঘেঁষে বয়ে যাওয়া তিলাই নদীতে বিসর্জন দেওয়া হয়। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের পাঁচ দিনব্যাপী এই বৃহৎ আনন্দ আয়োজন চলে। বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের পার্বতীপুর উপজেলা শাখার সভাপতি কৈলাশ প্রসাদ সোনার ও সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক দীপেশ চন্দ্র সিংহ নিশ্চিত করেন যে, এ বছর পার্বতীপুর উপজেলায় মোট ১৫০টি মন্দিরে সর্বজনীন দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। পূজাচলাকালীন আনন্দঘন পরিবেশ বজায় রাখতে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পরিদর্শন করতে উপজেলার প্রতিটি পূজা মন্ডপ ঘুরে দেখেন স্থানীয় সংসদ সদস্য এ. জেড. এম. রেজওয়ানুল হক এবং পার্বতীপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আরাফাত আমান আজিজ ও পার্বতীপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ আঃ ওয়াদুদ। প্রতিমা বিসর্জনকে কেন্দ্র করে তিলাই নদীর পাড়ে নেমেছিল ভক্ত ও সাধারণ মানুষের ঢল। আনন্দ-উচ্ছ্বাস ও বিদায়ের সুরের মধ্য দিয়ে আগামী বছর মা দুর্গার পুনরায় আগমনের প্রার্থনায় শেষ হয় এই শারদীয় উৎসব।